মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ পর্যন্ত ১৬ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাদের নমুনা পরীক্ষার পর ৬ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। অন্যদিকে,মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আহমেদ ফয়সল জামান জানান, বর্তমানে হাসপাতালে তিনজন হামের রোগী ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে দুইজন শিশু এবং একজন পুরুষ।
এছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যাবে। শনাক্তে বিলম্বের কারণ সিভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমান জানান, প্রতিদিন অনেকেই হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। তবে আক্রান্ত কি না তা নিশ্চিত হতে নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠাতে হয়। ঢাকা থেকে রিপোর্ট আসতে কিছুটা সময় লাগার কারণে চূড়ান্ত ফলাফল পেতে বিলম্ব হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সর্দি-জ্বর, হাঁচি-কাশি এবং শরীরে লালচে র্যাশ বা গুটি বের হওয়া হামের প্রধান লক্ষণ। ডা. মামুনুর রহমান বলেন, “আমরা পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। যেসব শিশুর মধ্যে এসব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তাদের দ্রুত আলাদা করে বিশেষায়িত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”হাম একটি সংক্রামক রোগ হওয়ায় আতঙ্কিত না হয়ে লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
এবিডি.কম/রাজু